নাশকতা করে দেশ ধ্বংস করা বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায়না

0
1013

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি যাদের জন্মই হয়েছে অবৈধভাবে। ইতিহাস বলে, গণতান্ত্রিক আদর্শের সঙ্গে দলটির মেলবন্ধন নেই।বিএনপি নামটি উচ্চারিত হলেই চোখের সামনে অদৃশ্যভাবে ভেসে ওঠে দলটির শাসনামলের দুর্নীতি, জঙ্গি-সন্ত্রাস তৎপরতা ও নারকীয় হত্যাযজ্ঞের চিত্র।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল অবধি, হত্যা, খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, হত্যাচেষ্টা, সন্ত্রাসীপনা- কী করেনি বিএনপি! তাদের রক্ত-লাশের রাজনীতির বলি হয়ে তখন আওয়ামী লীগের ২৬ হাজার নেতাকর্মী প্রাণ হারান। হামলা করা হয় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর। একবার নয়, দু’বার নয়-১৮ বারেরও বেশি সময়। সেসব খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর ছক কষে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার। যেখান থেকে সৃষ্টিকর্তার কৃপায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভের পর বিএনপি-জামায়াত জোটের ‘সন্ত্রাস-রাজনীতি’ বৃহৎকারে রূপ নেয় এবং তা পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে চলতে থাকে।

এই সময়কালে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এ এম এস কিবরিয়া, সাবেক সংসদ সদস্য আহসানউল্লাহ মাস্টারসহ আওয়ামী লীগের ২৬ হাজার নেতা ও কর্মীদের হত্যা করে।পাশাপাশি ওই সময়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ১৮ বারের বেশি চেষ্টা চালানো হয়।তারেক-খালেদা

আর এ কাজে বিএনপি-জামায়াত হুজি ও জেএমবির মতো চরমপন্থী গোষ্ঠীকে ব্যবহার করে এবং হত্যাকাণ্ডের মতো নৃশংসতার জন্য তাদেরকে রাজনৈতিক নিরাপত্তাও প্রদান করে।এসব অপকর্মের নীল নকশা বাস্তবায়ন করেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ঠাণ্ডা মাথার খুনি স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমান। আর তাকে পূর্ণ সমর্থন যোগান তৎকালীন বিএনপি-জামায়াতের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা।

আরো পড়ুনঃ সংবাদপত্রে বিএনপি জামাতের সন্ত্রাস ও দুর্নীতির চিত্র (২০০১-২০০৬)

যখন তারা কোনভাবেই শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তায় ভাটা আনতে পারছিলেন না, তখন ছক কষলেন আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানোর। হামলার উদ্দেশ্য ছিলো দলের সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সকল নেতাকে হত্যা করা। এরপর ২১শে আগস্ট হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী এবং এর সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা নিহত হন এবং আহত হন ৩শ’ জনেরও বেশি নেতাকর্মী। নিহতদের মধ্যে ছিলেন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মরহুম প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমান।
বিএনপির অতীত কর্মই সাক্ষী দেয়, তারা কতোটা নৃশংস ও প্রতিহিংসা পরায়ণ রাজনীতি চর্চায় অভ্যস্ত। যে কারণে তারা দেশের কল্যাণে সদাজাগ্রত শেখ হাসিনাকে একাধিকবার মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছেন। চালিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নির্মম অত্যাচারও। দেশের মানুষ সেসব ভোলেনি।বিএনপি নেতারা এখন গণতন্ত্রের কথা বলে।তাদের জন্ম গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে