তারেক রহমান দুর্নীতিবাজদের জাতির পিতা, বিএনপির নেতা-কর্মীদের চোর-বাটপার সন্ত্রাসী হিসেবে মনে করে দেশবাসী

0
646
দুর্নীতিবাজ

বিএনপি ও দুর্নীতিঃ

বিএনপি ও দুর্নীতি একে অপরের পরিপূরক শব্দ। বাংলাদেশে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন বিএনপির হাত ধরেই শুরু। জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ তছরুপ, চুরি-দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য সারা দেশে বিএনপির রাজনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। বিএনপির নেতা-কর্মীদের চোর-বাটপার সন্ত্রাসী হিসেবে মনে করে দেশবাসী। অতীত অপকর্মের কারণে বিএনপি নেতারা সমাজে মুখ দেখাতে পারেন না। যার কারণে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সাথে মেয়ের বিয়ে দেয়াসহ অন্যান্য সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় না দেশের বেশিরভাগ মানুষ। যা বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও নিজ মুখে স্বীকার করেছেন। অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতির সূত্রপাত হয় তারেক রহমানের হাত ধরে। বড় বড় দুর্নীতিবাজদের দুর্নীতির হাতেখড়ি তারেক রহমানের হাত ধরে হয়েছে। বাংলাদেশের দুর্নীবাজদের জনক হিসেবে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে ইতিহাসে। তারেক রহমান দুর্নীতিবাজদের জাতীয় পিতা।

তারেক রহমান দুর্নীতিবাজদের জাতির পিতাঃ

বিএনপির শাসনামলে তারেক ও তার সহযোগীদের দুর্নীতি সেসময় এমনই মাত্রা ছাড়ায় যে উইকিলিকসেও তার কিছু নমুনা দেখা যায়। সেসময় খালেদা জিয়ার মুখ্য সচিব কামালউদ্দিন সিদ্দিকী যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হ্যারি কে টমাসের সঙ্গে ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ আলাপে বলেছিলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত তারেক রহমানকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে খালেদা জিয়া তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করে চলেছেন। ২০১১ সালে উইকিলিকসের ফাঁস করা মার্কিন গোপন নথিপত্রে এই বিষয়টি উঠে এসেছিল। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের আরেক রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ারটি ২০০৮ সালের ৩ নভেম্বর ওয়াশিংটনে পাঠানো এক বার্তায় উল্লেখ করেন যে, দুর্নীতিগ্রস্ত ও উগ্র এমন এক সরকার যে তার নিজের দেশের জনগণ ও সম্পদ লুণ্ঠন করে- তার প্রতিনিধিত্ব করেন তারেক। ২০১১ সালের ৩০ আগস্ট উইকিলিকস রাষ্ট্রদূতের পাঠানো এই বার্তাটি ফাঁস করে দেয়।

সন্ত্রাসী এবং জঙ্গিদের মদদদাতাঃ

বিদেশি কূটনীতিকদের মতে, তারেক জিয়া এফবিআইয়ের খাতায় চিহ্নিত ‘দুর্নীতিবাজ’। জানা যায়, এফবিআই, তাদের প্রতিবেদনে তারেককে সন্ত্রাসী এবং জঙ্গিদের মদদদাতা হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

আরও পড়ুনঃ

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে